April 29, 2026, 2:03 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
সামনে ঈদ, বাড়ছে শঙ্কা, সংকট তৈরি হওয়ার পর ব্যবস্থা নেয়ার প্রবণতায় বিশৃঙ্খল সয়াবিন তেলের বাজার রুপপুর/একটি নতুন যুগের অপেক্ষায় বাংলাদেশ কুষ্টিয়ায় একতা হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের সময় শিশুর মৃত্যু, দুই চিকিৎসক পুলিশ হেফাজতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোডিং উদ্বোধন আজ, পরমাণু বিদ্যুতের যুগে বাংলাদেশ যশোরে প্রধানমন্ত্রী/নারীদের এলপিজি কার্ড দেওয়ার ঘোষণা, উলশীতে ‘জিয়া খাল’ পুনঃখনন উদ্বোধন হাইকোর্টে ৭ সপ্তাহের আগাম জামিন পেয়েছেন আমির হামজা হাইকোর্টে আগাম জামিন চেয়েছেন আমির হামজা, আজ শুনানী হতে পারে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে মসুর ডাল আমদানি ৭৫% কমলেও বাজার স্থিতিশীল কুষ্টিয়া সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ৩৭ টাকার মাদক ও চোরাচালান পণ্য উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ইকোর চক্ষু ক্যাম্পে শতাধিক রোগীর ফ্রি চিকিৎসা ও ওষুধ প্রদান

দেশীয় চিনিকলগুলো বন্ধ হচ্ছে, বাড়ছে আমদানি নির্ভরতা, বছরে ব্যয় ৭ হাজার কোটি

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
যথন দেশীয় চিনিকলগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ্একের পর এক, তখরন বাড়ছে চিনির আমদানিনির্ভরতা। আর এজন্য বছরে ব্যয় হচ্ছে ৭ হাজার কোটি টাকা। সরকারি হিসাবে বাংলাদেশে বছরে চিনির চাহিদা ১৮ লাখ টন। দেশে সবশেষ কয়েক বছর গড়ে ২২ লাখ টনের বেশি চিনি আমদানি হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে দিন দিন বাড়ছে চিনির ব্যবহার। বাড়ছে চাহিদাও। এমন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলে উৎপাদন কমছে। চলতি মৌসুমে উৎপাদন হয়েছে মাত্র ২৪ হাজার ৯শ টন, যা এর আগের বছরও ছিল প্রায় দ্বিগুণ। মূলত ব্যাপক লোকসানকে কারণ হিসেবে দেখিয়ে ছয়টি চিনিকলে উৎপাদন বন্ধ রাখায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সেজন্য বাড়ছে আমদানিনির্ভরতা, যা পূরণ করছেন বেসরকারি আমদানিকারকরা।
আমদানিকারকরা বলছেন, তারা ঘাটতি মেটাতে ব্রাজিল, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও মালয়েশিয়া থেকে অপরিশোধিত চিনি আমদানি করেন। সুনির্দিষ্টভাবে না জানাতে পারলেও তাদের ধারণা চলতি অর্থবছর ২২ থেকে ২৪ লাখ টন চিনি আমদানি হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের হিসাবে, সবশেষ ২০১৯-২০ অর্থবছরে ২১ লাখ ৫৯ হাজার টন অপরিশোধিত চিনি আমদানি হয়েছিল। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আমদানি হয়েছে ২৩ লাখ ১৩ হাজার টন চিনি। কাস্টমসের হিসাবে শুধু এর আমদানিমূল্য দাঁড়ায় সাত হাজার কোটি টাকা। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি চিনি আমদানি হয়েছিল ২০১৮ সালে ২৬ লাখ টন। সে সময় ব্যয় সাড়ে সাত হাজার কোটি পেরিয়েছিল।
অন্যদিকে, এবছর চিনি আমদানির পরিমাণের সঠিক তথ্য এখনো সরকারের কোনো দপ্তরে নেই। তবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে, দেশে প্রায় ১৮ লাখ মেট্রিক টন পরিশোধিত চিনির চাহিদা রয়েছে। রমজান মাসে এর চাহিদা তিন লাখ টন। দেশে গত দুই মাসে (জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি) ৪ লাখ ৮৮ হাজার টন অপরিশোধিত চিনি আমদানি হয়েছে, যা গত বছরের এই সময়ের তুলনায় ২ লাখ ৬০ হাজার টন বেশি।
মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিসের প্রতিবেদন বলছে, বাংলাদেশ বিশ্বের চতুর্থ শীর্ষ চিনি আমদানিকারক দেশ।
সংস্থাটির গত এক দশকে (২০১১-২০) দেশে চিনি আমদানির চিত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, দশকের শুরুতে দেশের বাজারে ১৫ লাখ ৩৭ হাজার টন চিনি আমদানি হয়েছিল। দশকের মধ্যে এটাই খাদ্যপণ্যটির সর্বনিম্ন আমদানির রেকর্ড। এরপর থেকে ধারাবাহিক উত্থান-পতনের ভেতর দিয়ে গেছে চিনির আমদানি বাজার। ২০১৪ সালে দেশের বাজারে প্রথমবারের মতো চিনি আমদানির পরিমাণ ২০ লাখ টন ছাড়ায়। ২০১৮ সালে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি চিনি আমদানির রেকর্ড হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net